আমার ডিজিটাল শিক্ষাগত ওয়েবসাইট ডিজাইন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ মার্চ ২০১৯

আমার জন্ম বিত্তান্ত

কে এম রাসেল, বি.এ 

কে এম রাসেল (জন্ম: ২৮ আগষ্ট, ১৯৯৮) বরিশাল বিভাগের ইন্দুরকানী থানার রামচন্দ্ররপুর গ্রামে জন্ম আমার। পিতা মোঃ আলি হোসেন খানঁ। খাঁন বংশের বংশধর আমি। আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা খুলনা শহরের অধিবাসী। কিন্তু আমার জন্ম আমার এই নানু বাড়ির ছোট্ট গ্রামটিতে। অনেক আদরের নাতি ছিলাম আমার নানু এবং দাদুর। জন্মের পর থেকেই আমি শহরের আবহাওয়া গায় লাগিয়ে বড় হয়েছি। শহরের আবহাওয়া,সংস্কৃতি,আচার-আচরন,চাল-চলন আমার জন্মগত গ্রহনীয় শিক্ষা। পর্যায়ক্রমে পথ চলতে চলতে বড় হওয়া। ওখানের বন্ধুদের সাথে খানিক পরিচয় বহন। আমি অনেকটা এক ঘেয়েমি একাকিত্ততা আমার ভীষন পছন্দিত।

ছোটবেলা থেকেই মায়ের ইচ্ছা আমাকে মাদ্রাসার শিক্ষায় শিক্ষিত করবে। সেই উদ্দেশ্যেই মসজিদের মক্তবে ভর্তি করে দেয়া হয়। আমি ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছিলাম সে কারনে আমার মাতামহকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি আমাকে প্রাইমারি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে। সময় গড়িয়ে যাবার সাথে সাথেই আমার বেড়ে ওটা। মক্তবের পাশাপাশি আমাকে চাঁনমারী মতিয়াখালি নামক একটা বিদ্যালয়ে ভর্তি করার চেষ্ঠা করা হয়। স্বল্প আসন সংখ্যার কারনে আমাকে অন্য একটা আহম্মদিয়া নামক স্কুলে প্রথম শ্রেনিতে ভর্তি করা হয়। বৎসর খানিক পড়াশুনা করে পরে আমার মাতামহ আমাকে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্য আহম্মদিয়া নামক একটা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানেই আমার তৃতীয় শ্রেনি পর্যন্ত অধ্যায়ন করা হয়। বেশ কিছুদিনেই আমার কিছু। বন্ধুদের সাথে পরিচয় হওয়া। তাদের বিদায় দিয়ে আমার জীবনের আরেকটা ধাপ অতিক্রম করেছি গ্রামাঞ্চলে বসবাস।

গ্রামের জীবনটা শহরের থেকে অনেকটা আলাদা হলেও এটা একটা চমৎকার অনুভুতিসম্পন্ন জীবন। গ্রামের মাটিতে আবার নতুন ভাবে বেড়ে ওঠা। নতুন সঙ্গী-সাথীদের সাথে পরিচিত হওয়া সেই অন্যরকম অনুভূতি। আমার সেই একাকিত্ব থাকার পছন্দটা আজও নিজের মাজে বিদ্যমান। নতুন ভাবে চলছে আমার জীবন তার নিজ গতিতে। চলছে চলছে চলতেই থাকবে সেই অচেনা পথ না চেনা অব্ধি।



Share with :

Facebook Facebook